Verse 1: পুত্র আমার, আমার কথাগুলো মনে রেখো| আমার আদেশ ভুলো না|
Verse 2: তুমি যদি আমার আদেশ পালন কর তুমি বাঁচবে| আমার এই শিক্ষামালা য়েন তোমার জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে|
Verse 3: আমার শিক্ষা এবং আদেশ সর্বদা মনে রেখো| আমার শিক্ষামালা তোমার আঙুলের চারপাশে বেঁধে রাখো| তোমার হৃদয়ে খচিত করে রাখো|
Verse 4: প্রজ্ঞাকে তোমার প্রেমিকহিসেবে বিবেচনা করো এবং বোধকে তোমার সব চেয়ে ভাল বন্ধু বলে বিবেচনা করবে|
Verse 5: তাহলে প্রজ্ঞা এবং বোধ তোমাকে “পরস্ত্রী” থেকে রক্ষা করবে| প্রজ্ঞা তোমাকে সেই ব্যভিচারিণীর হাত থেকেও রক্ষা করবে য়ে মধুর বাক্য বলে|
Verse 6: এক দিন আমি আমার জানালার বাইরে বহু নির্বোধ যুবককে দেখতে পেলাম|
Verse 7: ঐ যুবকদের মধ্যে এক বুদ্ধিহীন যুবকও আমার নজরে পড়লো|
Verse 8: সে এক কু-রমণীর বাড়িতে গেল| সে ঐ রমণীর বাড়ির সামনে দিয়ে হাঁটতে লাগল|
Verse 9: তখন সূর্য় অস্ত যাচ্ছে| অন্ধকার নেমে আসছে| রাত শুরু হচ্ছিল|
Verse 10: ঐ রমণী যুবকের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ির বাইরে এল| তার সাজসজ্জা বারবণিতার মতো| সে ঐ যুবকের সঙ্গে সারা রাত কাটানোর পরিকল্পনা করেছিল|
Verse 11: সে ছিল এক জন বিদ্রোহীসুলভ, অমার্জিত নারী| সে কখনও ঘরে থাকতে ভালবাসত না!
Verse 12: সে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে লাগল| সে রাস্তার প্রতিটি বাঁকে অপেক্ষা করছিল|
Verse 13: সে ঐ যুবককে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করল| সেই লজ্জাহীন ঐ যুবকের চোখের দিকে তাকিযে বলল,
Verse 14: “আমাকে আজ মঙ্গলার্থক বিসর্জন দিতে হয়েছে| আমি আমার মানত পূর্ণ করেছি|
Verse 15: বাড়ীতে আমার কাছে এখনও অমাবস্যার নৈবেদ্যর খাবার প্রচুর পরিমাণে পড়ে রযেছে| তাই তোমাকে সেখানে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি| অনেক খোঁজাখুঁজি এবং প্রতীক্ষার পর অবশেষে তোমাকে পেলাম!
Verse 16: আমি আমার শয়্য়ার নতুন চাদর পেতেছি| মিশরীয সেই সূতীর বিছানার চাদরগুলি খুব সুন্দর|
Verse 17: আমি আমার শয়্য়ার ওপর মস্তকি, ঘৃতকুমারী ও দারুচিনির সুগন্ধি ছড়িয়েছি!
Verse 18: এস, আমরা সারারাত ধরে য়ৌনক্রীড়ায মত্ত হই| আমরা সকাল পর্য়ন্ত প্রণযজ্ঞাপন করব|
Verse 19: আমার স্বামী ঘরে নেই| তিনি বাণিজ্য় করতে দূরে যাত্রা করেছেন|
Verse 20: তিনি প্রচুর অর্থ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন| বহুদিন ঘরে ফিরবেন না| আগামী পূর্ণিমার আগে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা নেই|”
Verse 21: ঐ ব্যভিচারিণী যুবকটিকে প্রলুদ্ধ করবার চেষ্টা করছিল| তার মনোরম মধুর বচনে যুবকটি বিপথগামী হল|
Verse 22: এবং নির্বোধ যুবকটি ঐ ব্যাভিচারিণীর ফাঁদে পা দিল| গরু য়ে ভাবে কসাইখানার দিকে পা বাড়ায, হরিণ য়েমন ব্যাধের পেতে রাখা ফাঁদের দিকে এগিয়ে যায়, সেই ভাবে সে ঐ পরস্ত্রীর দিকে এগিয়ে গেল|
Verse 23: ঐ যুবকটি ছিল একজন শিকারীর তীরবিদ্ধ হরিণের মত| সে ছিল জালের দিকে উড়ে যাওয়া একটি পাখীর মত| তার পরিণাম য়ে তার জীবনহানি ঘটাবে এ কথা ঐ যুবকটি ভাবতেও পারে নি|
Verse 24: প্রিয় পুত্রগণ, আমার কথা শোন| আমার কথাগুলো মন দিয়ে শোন|
Verse 25: কোন পাপীযসী রমণীর মোহজালে আবদ্ধ হয়ো না| তার পথ অনুসরণ কোরো না|
Verse 26: সে অগুনতি মানুষের পতন ঘটিযেছে| সে অসংখ্য় মানুষকে ধ্বংস করেছে|
Verse 27: তার গৃহ সাক্ষাত্ মৃত্যুপুরী| তার জীবনযাপনের পদ্ধতি মানুষকে সরাসরি মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়|