Verse 1: যিহূদার পাঁচ পুত্রের নাম পেরস, হিষ্রোণ, কর্মী, হূর আর শোবল|
Verse 2: শোবলের পুত্রের নাম রাযা, রাযার পুত্রের নাম য়হত্ আর য়হতের দুই পুত্রের নাম ছিল অহূময ও লহদ| সরাথীযরা অহূময ও লহদের উত্তরপুরুষ ছিল|
Verse 3: ঐটমের পুত্রদের নাম: য়িষ্রিযেল, য়িশ্ামা ও য়িদ্বশ| এদের বোনের নাম ছিল হত্সলিল-পোনী|
Verse 4: পনূযেলের পুত্রের নাম ছিল গাদোর| এসর ছিল হূশের পিতা|এরা ছিল হূরের পুত্র| হূর ছিল ইফ্রাথার প্রথম পুত্র| ইফ্রাথা ছিলেন বৈত্লেহমের প্রতিষ্ঠাতা|
Verse 5: তকোযের পিতা অস্হূরের হিলা ও নারা নামে দুই স্ত্রী ছিল|
Verse 6: নারা ও অস্হূরের পুত্রদের নাম: অহুষম, হেফর, তৈমিনি ও অহষ্টরি|
Verse 7: হিলা আর অস্হূরের পুত্রদের নাম: সেরত্, য়িত্সোহর, ইত্নন আর কোস|
Verse 8: কোসের দুই পুত্রের নাম ছিল আনূব আর সোব্বো| কোস হারুমের পুত্র অহর্হলের পরিবারের পূর্বপুরুষ ছিলেন|
Verse 9: যাবেশের জন্ম তার অন্যান্য ভাইদের জন্মের থেকে বেশী বেদনাদাযক ছিল| যাবেশের মা বলেছিলেন, “ও হবার সময় আমায় খুব কষ্ট পেতে হয়েছিল বলে আমি ওর এই নাম রেখেছি!”
Verse 10: যাবেশ ইস্রায়েলের ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে বলেন, “আমি আপনার প্রকৃত আশীর্বাদ প্রার্থনা করি| আমি চাই আপনি আমাকে আরো জমি-জমা দিন| সব সময় আমার কাছাকাছি থেকে যারা আমাকে আঘাত করতে চায় তাদের থেকে আমায় রক্ষা করুন, তাহলে আর আমায় কোন কষ্ট ভোগ করতে হবে না|” ঈশ্বর তাঁর এসমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেছিলেন|
Verse 11: শূহের ভাই কলূবের পুত্রের নাম ছিল মহীর| মহীরের পুত্রের নাম ইষ্টোন,
Verse 12: ইষ্টোনের পুত্রদের নাম বৈত্রাফা, পাসেহ ও তহিন্ন| তহিন্নর পুত্রের নাম ঈরনাহস| এঁরা সকলেই রেকার বাসিন্দা ছিলেন|
Verse 13: কনসের দুই পুত্রের নাম: অত্নীয়েল আর সরায| অত্নীয়েলের দুই পুত্রের নাম: হথত্ আর মিযোনোথয|
Verse 14: মিযোনোথযের পুত্রের নাম ছিল অফ্রা|সরায়ের পুত্রের নাম ছিল য়োয়াব| এই য়োয়াব ছিলেন কুশলী শিল্পী গে হারাসিমদের পূর্বপুরুষ|
Verse 15: য়িফুন্নির পুত্র ছিল কালেব| কালেবের পুত্রদের নাম: ঈরূ, এলা ও নয়ম| এলার পুত্রের নাম ছিল কনস|
Verse 16: য়িহলিলেলের পুত্রদের নাম: সীফ, সীফা, তীরিয আর অসারেল|
Verse 17: ইষ্রার পুত্রদের নাম: য়েথর, মেরদ, এফর আর যালোন| মেরদের এক পক্ষের স্ত্রীর গর্ভে জন্মায় মরিযম, শম্ময ও য়িশ্বহ| য়িশ্বহ ছিল ইষ্টিমোযর পিতা| মেরদের মিশরীয স্ত্রী ফরৌণের কন্যা বিথিযার গর্ভে য়েরদ গদোরের পিতা, হেবর সোখোর পিতা, আর য়িকুথীযেল সানোহর পিতা জন্মগ্রহণ করেন|
Verse 18: এই তিন জনের পুত্রদের নাম ছিল যথাএমে গদোর, সোখোর ও সানোহ|
Verse 19: মেরদের স্ত্রী ছিলেন যিহূদার বাসিন্দা এবং নহমের বোন| তাঁর পৌত্রদের নাম কিযীলা আর ইষ্টিমোয| কিযীলা আর ইষ্টিমোয যথাএমে র্গম্মীয ও মাখাথীযদের পূর্বপুরুষ|
Verse 20: শীমোনের পুত্রদের নাম ছিল অথোন, রিণ্ন, বিন্-হানন আর তীলোন|য়িশীর দুই পুত্রের নাম সোহেত্ আর বিন্-সোহেত্|
Verse 21: শেলা ছিলেন যিহূদার সন্তান| তাঁর পুত্রদের নাম এর, লাদা আর য়োকীম| কোষেবার লোকরাও তাঁরই বংশধর| এছাড়াও য়োযাশ আর সারফ নামে তাঁর দুই পুত্র মোয়াবীয় মেযেদের বিয়ে করে বৈত্লেহমে চলে গিয়েছিলেন|
Verse 22: এরের পুত্রের নাম ছিল লেকার| লাদা ছিলেন মারেশার পিতা এবং বৈত্ অসবেযের তাঁতিদের পরিবারগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা| এই পরিবার সম্পর্কে যা কিছু তথ্য় পাওয়া গিয়েছে তা খুবই প্রাচীন|
Verse 23: শেলার বংশধররা মাটির জিনিষপত্র বানাতেন| এঁরা নতাযীম ও গদেরায বাস করতেন ও সেখানকার রাজাদের জন্য কাজ করতেন|
Verse 24: শিমিযোনের পুত্রদের নাম নমূযেল, যামীন, যারীব, সেরহ আর শৌল|
Verse 25: শৌলের পুত্রের নাম শল্লুম, শল্লুমের পুত্রের নাম মিব্সম আর মিব্সমের পুত্রের নাম ছিল মিশ্ম|
Verse 26: মিশ্মের পুত্রের নাম হম্মুযেল, হম্মুযেলের পুত্রের নাম শক্কূর আর শক্কূরের পুত্রের নাম ছিল শিমযি|
Verse 27: শিমযির ষোল জন পুত্র আর ছয় কন্যা ছিল| কিন্তু শিমযির ভাইদের খুব বেশি পুত্রকন্যা ছিল না| যিহূদার অন্যদের তুলনায় তাদের পরিবারগোষ্ঠী য়থেষ্ট ছোট ছিল|
Verse 28: শিমযির উত্তরপুরুষরা বের্-শেবা, হত্সর-শূযাল, মোলাদা শহরতলীসমূহে বাস করত|
Verse 29: বিল্হা, এত্সম, তোলদ,
Verse 30: বথূযেল, র্হম্মা, সিক্লগ,
Verse 31: বৈত্-মর্কাবোত্, হত্সর-সূষীম, বৈত্-বিরী, শারযিম প্রমুখ শহরগুলোয দায়ূদের রাজত্ব কালের আগে পর্য়ন্ত বাস করতেন|
Verse 32: এই সব শহরগুলোর কাছে য়ে পাঁচটি গ্রাম ছিল, সেগুলি হল: ঐটম, ঐন, রিম্মোণ, তোখেন ও আশন|
Verse 33: বালত্ পর্য়ন্ত আরো অনেক গ্রাম ছিল যেখানে শিমযির বংশধররা থাকতেন| তাঁরা তাঁদের পারিবারিক ইতিহাসও লিখে গিয়েছেন|
Verse 34: মশোব্ব, য়ম্লেক, অমত্সিযের পুত্র য়োশঃ, য়োয়েল, য়োশিবিযর পুত্র য়েহূ,
Verse 35: সরায়ের পুত্র য়োশিবিয, অসীযেলের পুত্র সরায, ইলিযৈনয়,
Verse 36: যাকোবা, য়িশোহায, অসায, অদীযেল, য়িশীমীযেল, বনায়,
Verse 37: অলোনের পৌত্র ও শিফির পুত্র সীষঃ প্রমুখ ছিলেন এই সব পরিবারগোষ্ঠীর প্রধান ও নেতা|
Verse 38: আলোন ছিলেন য়িদযিযর পুত্র এবং শিম্রির নাতি| আবার শিম্রি ছিলেন শময়িয়ের পুত্র|এই লোকদের পরিবার অতিশয় বৃদ্ধি পেল|
Verse 39: তারা তাদের মেষ ও গবাদি পশুর জন্য চারণভূমির খোঁজে উপত্যকার পূর্বদিকে গদোরের বহিরাঞ্চলে চলে গেল|
Verse 40: এভাবে খুঁজতে খুঁজতে তারা উর্বর সবুজ ও শান্তিপূর্ণ জমি খুঁজে পেলো| হামের উত্তরপুরুষরা অতীতে সেখানে বসবাস করতেন|
Verse 41: রাজা হিষ্কিয়র যিহূদায় রাজত্ব কালে এই ঘটনা ঘটেছিল| এই সমস্ত লোক গদোরে এসেছিল, হামীযদের তাঁবুগুলি ধ্বংস করেছিল, তারা মিযূনীযদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের ধ্বংস করেছিল| আজ অবধি তাদের একজনও বেঁচে নেই| অতঃপর তারা সেখানে থাকতে শুরু করল কারণ ওখানকার জমিতে তাদের মেষের খাবার মত প্রচুর পরিমাণে ঘাস ছিল|
Verse 42: শিমিযোনের পরিবারগোষ্ঠীর পাঁচশো লোক সেযীর পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করতে গিয়েছিলেন| পলটিয, নিযরিয, রফাযিয ও উষীযেল প্রমুখ য়িশীর পুত্ররা এই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন| শিমিযোনের বংশধররাও এখানকার বাসিন্দা অমালেকীযদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিল এবং
Verse 43: যারা বেঁচ্ছেিল সেই সমস্ত অমালেকীযদের তারা মেরে ফেলেছিল| তারপর থেকে আজ অবধি সেই শিমিযোনীযরা সেযীরেই বাস করছেন|