Verse 1: তখন ইয়োব উত্তর দিলেন:
Verse 2: “আমি যদি আমার ক্রোধক দাঁড়িপাল্লার এক দিকে এবং দুঃখকে অন্য দিকে রাখতে পারতাম তাহলে তাদের ওজন একই হত|
Verse 3: তাদের ওজন সমুদ্রের সব কটি বালুকণার চেয়েও বেশী| এই কারণেই আমার বাক্য এত কর্কশ|
Verse 4: সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের তীর আমার দেহে বিদ্ধ হয়েছে| আমার জীবন ঐ সব তীরের বিষ পান করছে! ঈশ্বরের ভয়ঙ্কর অস্ত্রসমূহ আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সারি দিয়ে রাখা আছে|
Verse 5: যখন কোন রকম মন্দ কিছু না ঘটে তখন তোমার কথাগুলো বলা সহজ| এমনকি বুনো গাধা যখন খাওয়ার ঘাস পায়, সে কোন অভিয়োগ করে না| এমনকি, যখন খাদ্য থাকে, তখন কোন গরুও অভিয়োগ করে না|
Verse 6: স্বাদহীন কোন বস্ু কি লবণ ছাড়া খাওয়া যায়? ডিমের সাদা অংশের কি কোন স্বাদ আছে? না!
Verse 7: আমি এরকম খাবার স্পর্শ করতে অস্বীকার করি, ঐ ধরণের খাদ্য আমার কাছে পচা খাবারের মত| এবং তোমার কথাগুলো আমার কাছে সেই রকমই স্বাদহীন বলে মনে হচ্ছে|
Verse 8: “যা চেয়েছি তা যদি পেতাম! আমি যা সত্যিই চাই তা যদি ঈশ্বর দিতেন!
Verse 9: আমি চেয়েছিলাম, ঈশ্বর আমায় ধ্বংস করুন| এগিয়ে এসে আমায় হত্যা করুন|
Verse 10: যদি তিনি আমায় হত্যা করেন, আমি স্বস্তি পাবো, আমি সুখী হব: এত যন্ত্রণা সত্ত্বেও আমি সেই পবিত্রতমের আদেশ পালন করা থেকে বিরত হই নি|
Verse 11: “আমার সব শক্তি চলে গেছে, তাই আমার বেঁচে থাকার কোন আশা নেই| আমি জানি না আমার কি হবে| তাই আমার ধৈর্য়্য় ধরার কোন কারণ নেই|
Verse 12: আমি পাথরের মত শক্ত নই| আমার দেহ পিতল দিয়ে তৈরী নয়|
Verse 13: আত্মনির্ভর হবার মত আমার কোন শক্তি নেই| কেন? কারণ আমার কাছ থেকে সাফল্য কেড়ে নেওয়া হয়েছে|
Verse 14: “যদি কেউ সমস্যায় পড়ে, তার প্রতি তার বন্ধুর সদয হওয়া উচিত্| যদি কেউ সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দিক থেকেও মুখ ফেরায, তবুও তার প্রতি তার বন্ধুর বিশ্বস্ত থাকা উচিত্|
Verse 15: কিন্তু তুমি, আমার ভাই, তুমি বিশ্বস্ত ছিলে না| আমি তোমার প্রতি নির্ভর করতে পারিনি| তুমি সেই ঝর্ণার মত যা কখনও প্রবাহিত হয় আবার কখনও প্রবাহিত হয় না| তুমি সেই ঝর্ণার মত
Verse 16: যা বরফে জমে গেলে বা বরফ গলা জলে ভরে গেলে উপচে পড়ে|
Verse 17: এবং যখন আবহাওয়া শুষ্ক ও গরম থাকে তখন তার জল প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়| তার ধারাগুলো লুপ্ত হয়|
Verse 18: বণিকের দল তাদের রাস্তা থেকে সরে যায় এবং তারা মরুভূমিতে বিলুপ্ত হয়|
Verse 19: টেমার বণিকরা জলের অন্বেষণ করলো| শিবার পর্য়টকরা আশা নিয়ে অপেক্ষা করলো|
Verse 20: তারা নিশ্চিত ছিল য়ে তারা জল পাবেই কিন্তু তারাও হতাশ হল|
Verse 21: এখন, তুমি সেই সব ঝর্ণার মত| আমার দুর্দশা দেখে তুমি ভীত হয়েছো|
Verse 22: আমি কি তোমার সাহায্য চেয়েছি? না চাই নি! কিন্তু তুমি সহজেই তোমার উপদেশ দিলে!
Verse 23: আমি কি তোমাকে বলেছি, ‘আমাকে শএুর হাত থেকে রক্ষা কর! নৃশংস লোকের হাত থেকে আমায় রক্ষা কর?’
Verse 24: “তাই, এখন আমায় শিক্ষা দাও, আমি চুপ করে থাকবো| দেখিয়ে দাও আমি কি ভুল করেছি|
Verse 25: সত্-বাক্যই শক্তিশালী| কিন্তু তোমার যুক্তি কোন কিছুই প্রমাণ করে না|
Verse 26: তুমি কি আমার সমালোচনা করার পরিকল্পনা করেছ? তুমি কি আরও ক্লান্তিকর কথা বলবে?
Verse 27: তুমি একজন পিতৃ-মাতৃহীনের সম্পত্তি নিয়ে জুযা খেলতে পারো| তুমি তোমার প্রতিবেশীকেও বিক্রি করে দিতে পারো|
Verse 28: কিন্তু এখন, আমার মুখ দেখে বোঝার চেষ্টা কর| আমি তোমার কাছে মিথ্যা বলবো না|
Verse 29: তোমার সিদ্ধান্তগুলি পুনর্বিবেচনা কর| অন্যায় বিচার করো না| পুনরায বিবেচনা কর কারণ এ ব্যাপারে আমি নির্দোষ| আমি কোন ভুল করিনি|
Verse 30: আমি মিথ্যা বলছি না| আমি কি পচা জিনিসের স্বাদ বুঝি না?”