Verse 1: কিন্তু এখন, যারা আমার চেয়েও বয়সে ছোট তারা আমাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে| এবং তাদের পিতারা এতোই অপদার্থ ছিল য়ে, আমার মেষগুলোকে য়ে কুকুর পাহারা দেয়- আমি ওদের সেই কুকুরের সঙ্গেও রাখতে চাইনি|
Verse 2: ঐসব যুবকের পিতারা এতোই দুর্বল য়ে ওরা আমার সাহায্যে আসবে না| তারা এখন বৃদ্ধ ও ক্লান্ত হয়েছে, তাদের পেশীগুলো এখন আর শক্ত ও মজবুত নেই|
Verse 3: তারা মৃত মানুষের মতো অনাহারে শুকিয়ে রযেছে| তাই তারা মরুভূমির শুকনো ধূলো খায়|
Verse 4: তারা মরুভূমির নোনা মাটির গাছ উপড়ে নেয়| তারা মরুভূমির এক রকম গাছের শিকড় খায়|
Verse 5: তারা তাদের দল থেকে বিতাড়িত হয়েছে| লোকে এমন ভাবে ওদের দিকে চিত্কার করে য়েন ওরা চোর|
Verse 6: তারা নদীর শুকনো উপত্যকায, পাহাড়ের গুহায অথবা মাটির গর্তে বাস করতে বাধ্য হয়|
Verse 7: তারা মরুভূমির ঝোপঝাড়ে গাধার মত ডাক ছাড়ে এবং কাঁটাঝোপের নীচে গাদাগাদি করে জমা হয়|
Verse 8: তারা নামহীন একদল অপদার্থ লোক যারা নিজেদের দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে!
Verse 9: “এখন ঐসব লোকদের পুত্ররা আমায় নিয়ে গান বেঁধে আমায় উপহাস করে| আমার নামটাই এখন ওদের কাছে একটা বাজে শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে|
Verse 10: এখন ঐ যুবকরা আমায় ঘৃণা করে| তারা আমার থেকে দূরে দাঁড়ায| তারা নিজেদের আমার থেকে ভালো মনে করে| তারা, এমনকি আমার মুখে থুতুও দেয়!
Verse 11: ঈশ্বর আমার ধনুক থেকে গুণ (ছিলা) কেড়ে নিয়ে আমায় দুর্বল করে দিয়েছেন| ঐ মন্দ লোকরা ওদের সমস্ত ক্রোধ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে|
Verse 12: তারা আমার ডানদিক থেকে আক্রমণ করে| তারা আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে| আমার মনে হয় য়েন একটা শহরকে আক্রমণ করা হল: আমাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করার জন্য তারা আমার প্রাচীরে একটা রাস্তা তৈরী করেছে|
Verse 13: তারা আমার রাস্তা ছিন্ন-ভিন্ন করে দিয়েছে| তারা আমাকে ধ্বংস করতে সফল হয়েছে| তাদের থামাবার কেউ নেই|
Verse 14: তারা একটা সৈন্যদলের মত যারা দেওয়াল ভেঙে একটা বড় গর্ত করেছে এবং পাথর কুচির ওপর দিয়ে গড়িযে গড়িযে আমার ঘাড়ে পড়েছে|
Verse 15: সন্ত্রাস আমাকে গ্রাস করেছে| আমার সম্মান বাতাসের মত মুছে গেছে| আমার নিরাপত্তা মেঘের মতোই অদৃশ্য হয়ে গেছে|
Verse 16: “আমার জীবন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে এবং আমি খুব শীঘ্রই মারা যাবো| দুর্ভোগের দিন আমাকে আঁকড়ে ধরেছে|
Verse 17: রাতে আমার হাড়ে ব্যথা করে| আমার যন্ত্রণা বন্ধ হয় না|
Verse 18: ঈশ্বর আমার বস্ত্র কেড়ে নিয়েছেন, এবং আমার বস্ত্র মুচড়ে বিকৃত আকার করে দিয়েছেন|
Verse 19: ঈশ্বর আমায় কাদায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন এবং আমি ধূলা ও ছাই এর মত হয়ে গিয়েছি|
Verse 20: ঈশ্বর, আপনার সাহায্যের জন্য আমি আপনার কাছে কাঁদি কিন্তু আপনি শোনেন না| আমি দাঁড়িয়ে পড়ে প্রার্থনা করি, কিন্তু আমার দিকে আপনি কোন মনোয়োগ দেন না|
Verse 21: “ঈশ্বর, আপনি আমার প্রতি নীচ ব্যবহার করেছেন| আমাকে আঘাত করবার জন্য আপনি আপনার ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন|
Verse 22: ঈশ্বর, আপনি শক্তিশালী বাতাসকে আমাকে উড়িয়ে নিয়ে য়েতে দিয়েছেন| আপনি আমাকে ঝড়ের মধ্যে ফেলেছেন|
Verse 23: আমি জানি আপনি আমায় মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাবেন| প্রত্যেকটি জীবন্ত ব্যক্তি অবশ্যই মারা যাবে|
Verse 24: কিন্তু, য়ে ইতিমধ্যেই বিধ্বস্ত ও সাহায্যের জন্য কাতর আর্জি জানাচ্ছে, তাকে নিশ্চয়ই কোন লোক আঘাত করবে না|
Verse 25: ঈশ্বর, আপনি জানেন য়ে, য়ে লোকরা সংকটে পড়েছিলো আমি তাদের জন্য কেঁদেছিলাম| আপনি জানেন য়ে দরিদ্র লোকেদের জন্য আমার অন্তর কতখানি কাতর ছিলো|
Verse 26: কিন্তু যখন আমি ভালো জিনিস চাইলাম, তখন বিনিময়ে খারাপ জিনিস পেলাম| যখন আমি আলো চাইলাম, অন্ধকার এলো|
Verse 27: আমি ভেতরে ভেতরে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছি| আমার দুর্ভোগ শেষ হচ্ছে না| আমি দিনের পর দিন ভুগে চলেছি|
Verse 28: আমি সব সময়ই দুঃখী এবং বিমর্ষ| আমি মণ্ডলীর মধ্যে দাঁড়িয়ে চিত্কার করে সাহায্য চাই|
Verse 29: মরুভূমির বুনো কুকুর এবং উটপাখীর মত আমি বরাবরই নিঃসঙ্গ|
Verse 30: আমার চামড়া পুড়ে খোসা হয়ে উঠে যাচ্ছে| জ্বরে আমার দেহ উত্তপ্ত হয়ে আছে|
Verse 31: আমার বীণা দুঃখের গান গাইতে শুরু করেছে| আমার বাঁশিও দুঃখের কান্নায় ভরে উঠেছে|