Verse 1: ইলীহূ কথা বলে চলল| সে বলল:
Verse 2: “ইয়োব, আপনার পক্ষে একথা বলা ঠিক নয় য়ে, ‘ঈশ্বর অপেক্ষা আমিই অধিকতর সঠিক|’
Verse 3: এবং ইয়োব, আপনি ঈশ্বরকে জিজ্ঞাসা করেছেন, ‘কেউ যদি ঈশ্বরকে খুশী করতে চায় তাহলে সে কি পাবে?’ যদি আমি পাপ না করি তাহলেই বা আমার কি ভাল হবে?’
Verse 4: “ইয়োব, আমি আপনাকে এবং আপনার সঙ্গে আপনার য়ে বন্ধুরা রযেছে তাঁদের উত্তর দিতে চাই|
Verse 5: ইয়োব, আকাশের দিকে দেখুন, সেই মেঘের দিকে দেখুন যা আপনার থেকে অনেক অনেক উচেচ|
Verse 6: ইয়োব, যদি আপনি পাপ করেন, তা ঈশ্বরকে স্পর্শমাত্র করে না| যদি আপনার অনেক পাপও থাকে তাতেও ঈশ্বরের কিছু এসে যায় না|
Verse 7: এবং ইয়োব, যদি আপনি ভালো হন তাতেও ঈশ্বরের কিছু এসে যায় না| ঈশ্বর আপনার কাছ থেকে কিছুই পান না|
Verse 8: ইয়োব, য়ে ভাল বা মন্দ কাজ আপনি করেন তা আপনারই মত অন্য লোকদের প্রভাবিত করে মাত্র| তা ঈশ্বরকে সাহায্যও করে না, আঘাতও করে না|
Verse 9: “যদি মন্দ লোকরা আহত হয় তারা সাহায্যের জন্য চিত্কার করে| তারা শক্তিশালী লোকের কাছে যায় এবং তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে|
Verse 10: তারা বলবে না, ‘ঈশ্বর কোথায় যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন? সেই ঈশ্বর কোথায় যিনি রাত্রে আমাকে সঙ্গীত দেন?
Verse 11: ঈশ্বর আমাদের পশুপাখীদের চেয়ে বুদ্ধিমান করেছেন| তাই, কোথায় তিনি?’
Verse 12: বা যদি ঐ মন্দ লোকরা সাহায্যের জন্য ঈশ্বরকে ডাকে, ঈশ্বর ওদের কোন উত্তর দেবেন না| কেন? কারণ ঐ লোকগুলো অহঙ্কারী| ওরা এখনও ভাবে ওরাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ লোক|
Verse 13: একথা সত্য য়ে ঈশ্বর ওদের অর্থহীন চাওযায কোন কান দেবেন না| ঈশ্বর সর্বশক্তিমান ওদের দিকে মনোয়োগই দেবেন না|
Verse 14: তাই ইয়োব, আপনি যখন বলেছেন আপনি ঈশ্বরকে দেখেন না, তখন তিনি আপনার কথা শুনবেন না| আপনি বলেছেন য়ে আপনি নিজেকে নিষ্পাপ প্রমাণ করার জন্য, ঈশ্বরের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার সুয়োগের অপেক্ষায রযেছেন|
Verse 15: “ইয়োব ভাবেন য়ে ঈশ্বর মন্দ লোকদের শাস্তি দেন না, তিনি মনে করেন ঈশ্বর পাপের দিকে কোন দৃষ্টি দেন না|
Verse 16: তাই ইয়োব অর্থহীন কথাবার্তা বলেন| তিনি অনেক কথা বলেন কিন্তু কিছু জানেন না|”