Verse 1: মোশি পবিত্র তাঁবুর স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করে এটিকে প্রভুর কাছে উত্সর্গ করল| পবিত্র তাঁবু এবং তার ভেতরের সমস্ত দ্রব্যসামগ্রীকে মোশি অভিষেক করল| বেদী এবং তার সঙ্গে ব্যবহার্য়্য় অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীকেও মোশি অভিষেক ও পবিত্র করল| এতে বোঝানো হল যে, এই সব দ্রব্যসামগ্রী কেবলমাত্র প্রভুর উপাসনার জন্যই ব্যবহৃত হবে|
Verse 2: এরপর ইস্রায়েলের নেতাগণ প্রভুকে তাদের নৈবেদ্য প্রদান করল| এই সকল নেতারা ছিল তাদেরই পরিবারের কর্তা এবং তাদের গোষ্ঠীর নেতা| এই সব লোকরা হল তারাই যাদের লোকসংখ্যা গণনা করার দায়িত্ব ছিল|
Verse 3: এই সব লোকরা প্রভুর কাছে উপহার এনেছিল| তারা ছয়টি আচ্ছাদিত শকট এবং সেই শকটগুলিকে চালানোর জন্য বারোটি গরু এনেছিল| (প্রত্যেক নেতা একটি করে গরু দিয়েছিল| প্রত্যেক নেতা অপর আরেক নেতার সঙ্গে একসঙ্গে একটি করে শকট দিয়েছিল|) পবিত্র তাঁবুতেই নেতারা প্রভুকে এই সব দ্রব্যসামগ্রী দিয়েছিল|
Verse 4: প্রভু মোশিকে বললেন,
Verse 5: “নেতাদের কাছ থেকে এই সব উপহারসামগ্রী গ্রহণ করো| সমাগম তাঁবুর কাজে এইসব উপহারসামগ্রী ব্যবহার করা যাবে| লেবীয়দের এই সব জিনিসপত্র দিয়ে দাও| এই জিনিসগুলি তাদের প্রযোজন হবে|”
Verse 6: তাম্প মোশি শকটগুলি এবং গরুগুলোকে গ্রহণ করে ঐগুলো লেবীয় পরিবারভুক্তদের দিয়ে দিয়েছিল|
Verse 7: মোশি গের্শোন গোষ্ঠীভুক্ত লোকদের দুটি গাড়ী এবং চারটি গরু দিয়েছিল|
Verse 8: এরপর মোশি মরারি গোষ্ঠীভুক্ত লোকদের চারটি গাড়ী এবং আটটি গরু দিয়েছিল| তাদের কাজের জন্য এই শকট ও গরুর তাদের প্রযোজন ছিল| যাজক হারোণের পুত্র ঈথামর এইসব ব্যক্তিদের কাজকর্মের জন্য দাযবদ্ধ ছিল|
Verse 9: মোশি কহাতের পরিবারগোষ্ঠীকে একটিও গরু অথবা গাড়ি দেয নি, কারণ তাদের কাজ ছিল পবিত্র দ্রব্যসামগ্রী নিজেদের কাঁধেই বহন করা|
Verse 10: মোশি বেদীকে অভিষেক করেছিল| ঐ একই দিনে বেদীটিকে উত্সর্গ করার জন্য নেতারা তাদের নৈবেদ্য নিয়ে এসেছিল| তারা বেদীতে প্রভুকে তাদের নৈবেদ্য প্রদান করেছিল|
Verse 11: প্রভু মোশিকে বললেন, “বেদীটিকে উত্সর্গ করার জন্যে প্রত্যেকদিন একজন করে নেতা তার উপহার নিয়ে আসবে|”
Verse 12: প্রথম দিন যে নেতা তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন তিনি হলেন যিহূদা-গোষ্ঠীর নেতা অম্মীনাদবের ছেলে নহশোন।
Verse 13: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 14: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 15: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 16: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 17: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল অম্মীনাদবের ছেলে নহশোনের উপহার।
Verse 18: দ্বিতীয় দিনে ইষাখর-গোষ্ঠীর নেতা সূয়ারের ছেলে নথনেল তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 19: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 20: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 21: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 22: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 23: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল সূয়ারের ছেলে নথনেলের উপহার।
Verse 24: তৃতীয় দিনে সবূলূন-গোষ্ঠীর নেতা হেলোনের ছেলে ইলীয়াব তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 25: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 26: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 27: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 28: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 29: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল হেলোনের ছেলে ইলীয়াবের উপহার।
Verse 30: চতুর্থ দিনে রূবেণ-গোষ্ঠীর নেতা শদেয়ূরের ছেলে ইলীষূর তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 31: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 32: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 33: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 34: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 35: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল শদেয়ূরের ছেলে ইলীষূরের উপহার।
Verse 36: পঞ্চম দিনে শিমিয়োন-গোষ্ঠীর নেতা সূরীশদ্দয়ের ছেলে শলুমীয়েল তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 37: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 38: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 39: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 40: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 41: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল সূরীশদ্দয়ের ছেলে শলুমীয়েলের উপহার।
Verse 42: ষষ্ঠ দিনে গাদ-গোষ্ঠীর নেতা দ্যূয়েলের ছেলে ইলীয়াসফ তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 43: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 44: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 45: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 46: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 47: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল দ্যূয়েলের ছেলে ইলীয়াসফের উপহার।
Verse 48: সপ্তম দিনে ইফ্রয়িম-গোষ্ঠীর নেতা অম্মীহূদের ছেলে ইলীশামা তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 49: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 50: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 51: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 52: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 53: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল অম্মীহূদের ছেলে ইলীশামার উপহার।
Verse 54: অষ্টম দিনে মনঃশি-গোষ্ঠীর নেতা পদাহসূরের ছেলে গমলীয়েল তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 55: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 56: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 57: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 58: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 59: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল পদাহসূরের ছেলে গমলীয়েলের উপহার।
Verse 60: নবম দিনে বিন্যামীন-গোষ্ঠীর নেতা গিদিয়োনির ছেলে অবীদান তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 61: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 62: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 63: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 64: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 65: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল গিদিয়োনির ছেলে অবীদানের উপহার।
Verse 66: দশম দিনে দান-গোষ্ঠীর নেতা অম্মীশদ্দয়ের ছেলে অহীয়েষর তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 67: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 68: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 69: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 70: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 71: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল অম্মীশদ্দয়ের ছেলে অহীয়েষরের উপহার।
Verse 72: একাদশ দিনে আশের-গোষ্ঠীর নেতা অক্রণের ছেলে পগীয়েল তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 73: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 74: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 75: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 76: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 77: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল অক্রণের ছেলে পগীয়েলের উপহার।
Verse 78: দ্বাদশ দিনে নপ্তালি-গোষ্ঠীর নেতা ঐননের ছেলে অহীরঃ তাঁর উপহার নিয়ে আসলেন।
Verse 79: তাঁর উপহার ছিল শস্য-উৎসর্গের জন্য তেলের ময়ান দেওয়া মিহি ময়দায় ভরা ধর্মীয় মাপের এক কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার থালা এবং একই জিনিষে ভরা সাতশো গ্রাম ওজনের একটা রূপার বাটি;
Verse 80: ধূপে ভরা একশো গ্রাম ওজনের একটা সোনার ছোট থালা;
Verse 81: পোড়ানো-উৎসর্গের জন্য একটা ষাঁড়, একটা ভেড়া, একটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া;
Verse 82: পাপ-উৎসর্গের জন্য একটা পাঁঠা;
Verse 83: যোগাযোগ-উৎসর্গের জন্য দু’টা ষাঁড়, পাঁচটা ভেড়া, পাঁচটা পাঁঠা ও পাঁচটা এক বছরের বাচ্চা-ভেড়া। এগুলো ছিল ঐননের ছেলে অহীরয়ের উপহার।
Verse 84: সুতরাং ঐসব দ্রব্যসামগ্রী ছিল ইস্রায়েলের লোকদের নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া উপহারসামগ্রী| মোশি বেদীটিকে অভিষেক করে উত্সর্গ করার সময় তারা এই সকল দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে এসেছিল| তারা 12 টি রূপোর থালা, 12 টি রূপোর বাটি এবং 12 টি সোনার চামচ এনেছিল|
Verse 85: প্রত্যেকটি রূপোর থালা প্রায় 3-1/4 পাউণ্ড ওজনের ছিল| এবং প্রত্যেকটি বাটির ওজন ছিল প্রায় 1-3/4 পাউণ্ড| পবিত্র স্থানের মাপকাঠি অনুসারে সমস্ত রূপোর থালা এবং রূপোর বাটির মোট ওজন ছিল প্রায় 60 পাউণ্ড|
Verse 86: পবিত্র স্থানের মাপকাঠি অনুসারে সুগন্ধি ধূনোয পরিপূর্ণ 12 টি সোনার চামচের প্রত্যেকটির ওজন ছিল প্রায় 4 পাউণ্ড| 12 টি সোনার চামচের মোট ওজন ছিল প্রায় 3 পাউণ্ড|
Verse 87: হোমবলি উত্সর্গের জন্য পশুর মোট সংখ্যা ছিল 12 টি ষাঁড়, 12 টি মেষ এবং 12 টি এক বছর বয়স্ক পুরুষ মেষশাবক| ঐসব দ্রব্যসামগ্রীর উত্সর্গের সঙ্গে যে শস্য নৈবেদ্যর জন্য আবশ্যক, তাও ছিল এবং সেখানে 12 টি পুরুষ ছাগলও ছিল যা প্রভুর কাছে পাপার্থক বলি হিসাবে উত্সর্গের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল|
Verse 88: এছাড়াও নেতারা মঙ্গল নৈবেদ্যর জন্য বলি হিসাবে উত্সর্গের জন্য পশুও দিয়েছিল| এই সব পশুদের মোট সংখ্যা ছিল 24 টি ষাঁড়, 60 টি মেষ, 60 টি পুরুষ ছাগল এবং 60 টি এক বছর বয়স্ক পুরুষ মেষশাবক| এই ভাবে মোশি অভিষেক করার পরে তারা বেদীটিকে উত্সর্গ করেছিল|
Verse 89: মোশি যখনই প্রভুর সাথে কথা বলার জন্য সমাগম তাঁবুতে যেত, সে প্রভুর কন্ঠস্বর শুনত, প্রভু তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন| সেই সাক্ষ্যসিন্দুকের বিশেষ আচ্ছাদনের ওপরের দুজন করূব দূতের মাঝখান থেকে সেই কন্ঠস্বর শোনা যেত| এই ভাবে ঈশ্বর মোশির সঙ্গে কথা বলতেন|